Can’t Read the Bengali font properly? Click Here
লন্ডন থেকে শাহাব উদ্দিন চঞ্চল
যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা পরিষ্কার হচ্ছেনা।মনে হচ্ছে ৬ মাসেও সরকারের হ্যানিমুন শেষ হয় নাই।যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার নিয়ে কি কোন নাটক হচ্ছে, না সত্যি সত্যি তাদের বিচার হবে এটা নিয়ে আস্তে আস্তে জল্পনা শুরু হতে চলেছে।পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা খুবই জোরে শুরে চালানো হচ্ছে।আমরা বেশ শঙ্কিত, সরকারের ক্ষমতা গ্রহন করার পর পিলখানা হত্যা কান্ডের কারণ যে ভাবে ব্যাখা করেন না কেন, জনগণ ভাল করে জানেন আসলে এটা একটা হুমকি।এটা করানোর কারণ হলো সরকার যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের ইসুটিতে যাতে হাত না দেয়।এই হুমকিতে ভয় পেয়ে যদি সরকার সাহসী ভুমিকা নিতে না পারে তাহলে মনে রাখবেন হিন্দি ডায়লক-টি যো ডর গিয়া সমজো মর গিয়া। ইসুটি এক্কুনি যদি হাত না দেন তা হলে এই সরকারের খবর আছে দেশের ভবিষ্যত আফগানিস্তান।ধামা চাপা দিয়ে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের নাম নিয়ে কেউ যাতে চিনি মিনি বা লোকচূরি খেলা না খেলেন।যদি আপনারা না পারেন জনগণের কাছে আপনাদের জবাব কি?এত বড় ম্যানড্যট নিয়ে আপনারা ক্ষমতায় গেছেন।আপনাদের ইসতেহারের উপর ভিত্তি করে জনগণ আপনাদের ভোট দিয়েছে দয়াকরে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারটা করেন সব কিছুর আগে।এদেশের মানুষ আর ধোকা বাজি চায়না,মুক্তি যুদ্ধের পক্ষের না বিপক্ষের দল ক্ষমতায় এটা দেখার সময় নেই স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর।সোজা কথা এখন যদি এদের বিচার না করেন তাহলে রাজাকাররা আপনাদের বিচার করবে এটাতো আপনারাও জানেন।আর আপনাদের মধ্যে যারা রাজাকার আর যুদ্ধ অপরাধীদের সাথে ব্যবসা বানিজ্য নিয়ে কাপুরুষের মত আওয়ামী লীগের বড় বড় পদ নিয়ে বসে আছেন,যুদ্ধ অপরাধীদের কে টাকা পয়সা দিয়ে গোপনে তাদের সাথে যোগাযোগ করে বলেন, আরে যা আমার সাথে নেতা নেত্রীর ভাল সম্পর্ক তোদের কিছুই হবেনা,সরকার কি এর কোন খবর রাখেন।বিদেশে নেতা নেত্রীরা আসলে টিভি সামনে ধাক্কা ধাক্কি করে নেতা নেত্রীর সাথে সামনে গিয়ে বসার কারণ হলো একটা বিনা পয়সায় এডভারটাইজমেন্ট আর এটাকে ব্যবহার করা হয় ভিন্ন ভাবে।এরাই যুদ্ধ অপরাধীদের সাহাস যোগাচ্ছে, আর তাদের সাথে জমি জমা থেকে শূরু করে আইনি বেআইনি কোন ব্যবসা বাদ নাই। এটা একটা বিরাট ফ্যাক্টর যা কোন এক সময় মত ব্যাখা করার ইচ্ছা আছে। তবে বিষয়টি মোটেই হালকা করে দেখলে বিরাট ভূল হবে, কারণ এরা মোনাফেক এদের চেনা সহজ নয়।এরা কারো নয়,এরা তাদের নিজের,এই যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের ইসুতে এদের বেলা একটা হুশিয়ারী সংকেত আগাম জানালাম বিষয়টা ভেবে দেখবেন।জনগন এবার সচেতন, সরকারের কর্ম কান্ড আর যুদ্ধ অপরাধীদের কলা কৌশল ভাল করে বুঝতে পারছে।মনে রাখবেন জনগনও আপনাদের ছাড়বেনা যাদি আপনারা পানি ঘোলা করার আগে বিচার না করেন।এখানে বিদেশীদের মত নেয়ার কি আছে,এত চামচামি ভালনা।যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করবো আমরা এখানে পেকি পররাস্ট্র মন্ত্রী এ বিষয়ে কথা বলার কে? জুজুর ভয় আর দেখাবেন না,যে সৌদি আরব সব লোক দেশে পাঠিয়ে দিবে।আমরা জানি হায়াত মউত আর রেজেকের মালিক আল্লা।সৌদি আরব আমাদের রেজেক দাতা নয়।এই সব প্রপগান্ডা শুনে,লাভ নাই,জনগণ খুব সচেতন।আপনাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে ডিজিট্যাল বাংলাদেশ করার কথা বলছেন নির্বাচনের আগে ম্যানুফেষ্টতে,আপনারা আপনাদের কথা রাখেন প্লিজ।এদের বিচারের কাট গড়ায় জন্য করান, মামলা কে করবে বা না করবে এ নিয়ে সময় নষ্ট করে লাভ কি? কথায় বলেনা-কানা মনে মনে জানা, কারা অপরাধী আর কারা অপরাধী না এটা তো সারা দেশ জানে।পৃথিবী এখন মানুষের ফিঙ্গারের চাপের মধ্যে,এই ২১ শতাব্দিতে আর মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্ঠা করা ঠিক নয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাদাকে সাদা আর কালো কে কালো বলার পরমুলায় যান।ডু অর ডাই,ভদ্র মহিলাকে সকলে সাহায্য করলে তিনি আরেও সাহস পাবেন।আমরা একটা স্বাধীন জাতি স্বাধীন দেশ,আমাদের প্রচলিত আইনে যা আছে তা দিয়েই বিচারের কাজ শুরূ করেন।এতে অন্য কারো লাক গলানোর তো কিছু আমরা দেখি না।দেশের জনগণকে বলেছিলেন,আমরা ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করবো যদি আপনারা আমাদের ভোট দেন,জনগণ আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে,শুধু সাড়া নয় এমন ভাবে দিয়েছে যে আপনাদের আর কারো দিকে তাকাতে হবেনা এত শক্তি দেয়ার পর যদি আপনারা এখনও চিন্তা করেন তা হলেতো জনগণ এবং রাজাকার সবই একত্র হয়ে যাবে যুদ্ধ অপরাধীদের পরিবর্তে আপনাদের বিচার করতে। সুতরাং চয়েজ ইজ ইওরস্।বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন আমি মুসলমান,মুসলমান এক বার মরে বার বার নয়।আর আমরা যদি বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের আদর্শের সৈনিক হই তা হলে প্রমাণ দিতে হবে আমাদের,আমরা ভিতু জাতি নয়।বঙ্গবন্ধু যা বলেতেন তা তিনি করতেন,তার আদর্শের সৈনিক গণ মুখে আদর্শের কথা বলে-আর অন্তরে বিলাই মনোভাব নিয়ে বসে থাকলে চলবে না।ডিজিট্যাল বাংলাদেশ গড়তে হলে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার ছাড়া সম্ভব নয়।কারণ তারা ডিজিট্যাল বাংলাদেশ গড়তে দিবে না এটা আপনারা ভাল করে জানেন,অতএব আল্লাওয়াস্তে সব কিছুর আগে ওদের বিচার টা করেন।দেখবেন দেশের মানুষ দেশকে আরো বেশী ভালবাসবে,দেশের জন্য কাজ করতে সাহস পাবে দূর্নীতি করতে সাহস পাবে না।যে দেশে বিচার নাই এদেশের লোক দেশকে ভালবাসে না দেশের জন্য কাজ করতে চায়না,মনের মধ্যে দ্বিধা থাকে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারে না,একে অন্যেকে বিশ্বাস করে না,যার যা ইচ্ছা তা করে,জোর যার মুলুক তার যে দেশে সেই দেশের মানুষ সভ্য থাকেনা, সভ্যতার ধার ধারে না।দেশের মানুষকে সুস্থ রাখতে না পারলে সুস্থ চিন্তা সম্ভব নয়,আর সুস্থ মানষিকতা ছাড়া দেশ গড়া ডিজিট্যাল বাংলাদেশ করা সম্ভব নয়।আপনারা যারা বড় বড় আসনে আছেন দয়া করে সাহসী হোন, বিচারকের আসনে সাহসী মানুষদের বসান, তৃতীয় বিশ্বে সাহসী বিচারক ছাড়া ন্যায় বিচার করতে পরেনা।যারা বিব্রত বোধ করেন প্রানের ভয়ে বা লোভের কারণে এদের দিয়ে এসব কাজ করানো যাবে না।আমার এই লেখা কোন উপদেশ মুলক নয়,এটা জনগণের দাবি,আপনারাদের উপদেশ দেবার মত আমার কোন বিদ্যা বুদ্ধি নেই।আমি যা মনে করি তা লিখছি আপনাদের হয়তো পছন্দ না লাগতে পারে কিন্তু তবুও বলবো রাগ করবেন না,এটা জনগণের মনের কথা এবং আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।আমরা মনে করি অন্ন বস্ত্র শিক্ষা বাসস্তান দেশের বড় বড় ব্রিজ ইলেকট্রিক আর কলকারখানা সব কিছুর কথা ভুলে যান কিছুদিনের জন্য।কথা গুলো পছন্দ হবে না জানি,কত যুক্তি দেখাবেন বলবেন আরামে আছেন এই জন্য বলছেন এইতো! বলেন-বলতে থাকেন আমরা ৭১ এ এর চেয়ে হাজার গূন বেশী কষ্ট করেছি শুধু মাত্র এই যুদ্ধ অপরাধীদের কারণে।পড়া শুনা থেকে শুরু করে খাদ্য বস্ত্র কিছুই পাইনা,রাতের ঘুম ছিলনা এক মুহুর্ত শান্তিতে ছিলাম না।কোন সময় এই রাজাকারের বাচ্চারা পেকি সেনাদের নিয়ে বাড়ি ঘরে হানা দিবে,মা বোনদের ইজ্জতের উপর হামলা চালাবে, চোরের মত আমাদের থাকতে হয়েছে তাদের ভয়ে।কত যে অসহায় আবস্থায় আমরা ছিলাম তা এখন বলার দরকার নেই।যন্ত্রনা বলতে আমরা কি সহ্য করি নাই, রক্তের সাথে হুলি খেলা দেখেছি,বাবার সামনে মেয়েকে রেপ করার চিত্র দেখিছি. ৭১এ মুক্তিযুদ্ধ সময় কালিন পেকি হানাদারদের সাথে যারা নরহত্যা করতে সাহায্য করেছে তারা এখনও এদেশে বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে এটা কোন দেশ।যে দেশে বিচার নাই,বিচার হলে রায় কার্যকর হয়না আবার অপরাধীকে অপরাধী বলা যাবে না, চোর কে চোর বলা যাবেনা,অপরাধীদের কাঠ গড়ায় দাড় করানোর কথা উঠলে অন্যদেশ হস্তক্ষেপ করে হোয়াটসৃ দেট। এর পর আবার ধমক দেয় বিচার হলে এই করবো সেই করবো আর আমরা হাতে চুড়ি পরে বসে থাকবো,আমতা আমতা করে দায়সাড়া ভাবে সময় নষ্ঠ করব,মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় দেশের কি উন্নতি করতে সত্যিই চান? তা হলে দয়া করে আপনারা কারো কথায় আর-কান না দিয়ে আমরা যারা আপনাদের হাতে দায়িত্ব দিয়েছি আমাদের কথা গুলো একটু ভেবে দেখুন।মনে রাখবেন আপনাদের করতেই হবে যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার, নইলে কি হবে তা তো নিশ্চয়ই ভাল করে জানেন। এই অপরাধীদের ভয়ে পদত্যাগ করতে চাইলেও ক্ষমা পাবেন না,আপনাদের বিচার করতেই হবে।আগেই বলেছি আমাদের উন্নতির দরকার নেই,আমাদের হাদিস দলিল আর মানবতার কথা কল্যানের কথা স্বর্গে যাবার কথা আর শুনতে চাই না।এখন বিচার করলে দেশে অশান্তি হবে অরাজকতা সৃস্টি হবে অনেক কষ্ট হবে দেশের মানুষের উন্নতি হবে না এই বলে ইয়াংদের ভয় দেখাবেন না আর বিভ্রান্ত করবেন না।এবারের নির্বাচনে আমাদের ইয়াং জেনারেশন বুজতে পেরেছে ভাল করে, তারা আমাদের সন্তান তারাও অনেক সহ্য করেছে।যুদ্ধ অপরাধীদের মুখ থেকে হেভেন হেলের কথা অনেক শুনেছি, দেশের মানুষ এখন ভাল করে বুঝতে পেরেছে এই সব শয়তানদের মতলব।অতএব এখন এতদিন পর রিয়েলাইজ করেছে বলেই আপনাদেরকে সরকার গঠন করতে সহযোগিতা করেছে।এই জেনারেশনের অবশ্যই সহ্য করার ক্ষমতা আর মানসিকতা আছে বলেই তারা এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপনারা বিরোধী দলে গেলে তাদের অবস্থা টাইট হবে আর সরকার গঠন করলে এট লিষ্ট আশা থাকবে বাকি জেনারেশন পৃথিবীতে গর্ব করে বাঙালী হিসাবে বেচে থাকবে।এই ১কোটি ৪০ লক্ষ ভোটার কিন্তু ৭১ দেখে নাই,আধুনিক জগতের সাথে তাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে আজকের ইলেকট্রনিক মিডিয়া।এরই সুবাদে তারা জানতে পেরেছে আসলে ৭১ কি হয়েছিল বা তার আগে বঙ্গবন্ধুর সমগ্র আন্দোলন আর রাজাকার এবং যুদ্ধ অপরাধীদের ভুমিকা কি ছিল।আয়নার মত পরিষ্কার যুদ্ধ অপরাধীদের সমস্ত কিছু,তারা তা ও জানে হঠাত করে ক্যন্টম্যান্ট থেকে মেজর জিয়া চট্টগ্রামের কালুরঘাট এলাকায় কেরোসিনের তেলের ড্রামের উপর দাড়িয়ে স্বাধীনতা ঘোষনা করে ছিলেন আর জনগণ সাথে সাথে যুদ্ধ শুরু করে দিলো?৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে যুদ্ধ অপরাধীদের এদেশে পূর্ণবাসন কে করলো?গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব কে দিয়েছিল?রাজাকারদের সাথে ক্ষমতায় বসে ইতিহাস বিকৃত কে করলো?ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বদৌলতে ৪৭ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আসল ইতিহাস আর তাদেরকে ম্যানুয়েলি বুঝাতে হবেনা।১৯৭১ এর ৭ই মার্চ রের্সকোর্স ময়দানের লক্ষ লক্ষ জনতার মাঝে মঞ্চে দাড়িয়ে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম।বলতে হবে না স্বাধীনতার ঘোষক কে, এনিয়ে আর সময় নষ্ট করতে হবে না।যা জানার আর বুঝার এ প্রজন্ম বুঝে গেছে আমাদের আর বুঝাতে হবে না।দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে কে পাচার করেছে, দেশ প্রেমিকদের দেশ প্রেমের উদাহরণ আর জানাতে হবে না,উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভেসে গেছে রগ কাটার আর বোমা মারার কারখানা কে বা কার তৈরি করেছে, এক যোগে ৬৩ জেলায় বোমা ফাটানো, মুতিয়া (প্রশ্রাব নয়) রাজাকারের বাংলা ভাই মিডিয়ার আবিষ্কার, ধর্ম ব্যবসায়ী সাইদি বিলেতে বাঙালীদের কাছে সি ত্রো উলঙ্গ ময়লানা(মেয়েদের কাপড়ের নিচে থাকানোর কারনে মাপ চেয়েছিল) নামে পরিচিত এরা কারা।তাদেরকে আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না, সব কিছুই দেশ আর জাতি জানে এবং বুঝে,প্রতি দিন প্রতি মুহূর্তে শুনছে কে কি করেছেন, এখন আর সময় নষ্ঠ করার কিছু নাই শুরু করেন দেশের উন্নয়ন কর্ম কান্ড যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের মধ্যমে।এতে যা হবার হবে, এত ভাবনার কারণ কি? কেন আমরা এত কষ্ঠ সহ্য করেছিলাম।হ্যা সহ্য করেছিলাম আমারা যে কয়দিন বেচে থাকবো ভাল ভাবে বেচে থাকবো আগামী জেনারেশন নিয়ে স্বাধীন জাতি হিসাবে এই সুন্দর পৃথিবীতে।বঙ্গবন্ধু যে ডাক দিয়েছিলেন তার ডাকে আমরা যে ভাবে সাড়া দিয়েছিলাম।এবারও আমরা মনে করি আমাদের এই প্রজন্মও গত নির্বাচনের আগে ইসতেহার মোতাবেক বঙ্গবন্ধুর কন্যার ডাকে সাড়া দিয়েছে। এ প্রজন্ম যদি আমাদের সন্তান হয় তা হলে তারাও সহ্য করবে সাময়িক কিছু অনিয়ম আর ঝড় তুপান।হাতে চুড়ি পরে আর আমাদের বসার সময় নেই,আমাদের কি করতে হবে আপনারা বলেন আমরা আপনাদের সাথে ছিলাম আছি আর এবার কিন্তু ভূল করলে পারনতি ভয়াবহ।এখন আপনারা এই ভদ্র মহিলাকে দয়া করে মুক্তমনে মানবতা,দেশ ও জাতির কল্যানে সাহায্য করেন।বঙ্গ বন্ধুর অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যা করতে হয় তা করেন প্লিজ।সুতরাং দোহাই আমাদের কর্তা মহোদয় ডোন্ট ওয়েষ্ট টাইম.উই ডোন্ট ওয়ান্ট এনআদার ১৫ আগস্ট

















Really this article like this Boolet at time. So I can say all Bangali people think it but can not express her comment and you are who man who VOICE og BENgoli. so very very 10x
this article